সবার সংবাদ প্রতিবেদক:
মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার হাড়াভাঙ্গা ডি. এইচ. ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মো. আব্দুর রাজ্জাক ও সহকারী মৌলভী শামছিয়া খাতুনের বেতন-ভাতা (এমপিও) সাময়িক স্থগিতসহ স্থায়ীভাবে কেন বন্ধ করা হবে না এ মর্মে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছে মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর। মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের অর্থ শাখা থেকে গত বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) জারি করা এক চিঠিতে এ তথ্য জানা গেছে।
অধিদপ্তরের চিঠি অনুযায়ী, শিক্ষকদের এমপিওভুক্তি, উচ্চতর স্কেল, পুনর্নিয়োগ, ইনডেক্স কর্তন, বিএড স্কেল ও বকেয়া সংক্রান্ত আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের (মাদ্রাসা) জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা-২০২৬-এর আওতায় গঠিত এমপিও যাচাই ও অনুমোদন কমিটি কর্তৃক যাচাই-বাছাই কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
চিঠিতে বলা হয়েছে, হাড়াভাঙ্গা ডি. এইচ. ফাজিল মাদ্রাসার সহকারী মৌলভী শামছিয়া খাতুন ১১তম গ্রেড থেকে ১০ম গ্রেডে বিবিধ স্কেল প্রাপ্তির জন্য মেমিস সফটওয়্যারের মাধ্যমে আবেদন করেন। অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে গঠিত টিম আবেদনটি যাচাই-বাছাই করে। যাচাই-বাছাইয়ে তার দাখিল করা বিবিধ সনদটি জাল বলে প্রতীয়মান হয়েছে বলে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়। পরবর্তীতে সংশ্লিষ্ট কমিটি তার বিবিধ স্কেল প্রাপ্তির আবেদন বাতিলের সুপারিশ করে। এ অবস্থায় মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের নীতিমালার সংশ্লিষ্ট ধারার আলোকে শামছিয়া খাতুনের বেতন-ভাতা (এমপিও) সাময়িকভাবে স্থগিতসহ স্থায়ীভাবে বন্ধ করা হবে না কেন, সে বিষয়ে আগামী তিন কর্মদিবসের মধ্যে যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে সন্তোষজনক লিখিত জবাব দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
একই চিঠিতে আরও বলা হয়, জাল বিবিধ সনদের ভিত্তিতে বিবিধ স্কেল প্রাপ্তির আবেদন মেমিস সফটওয়্যারের মাধ্যমে পাঠানোর কারণে মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মো. আব্দুর রাজ্জাকের বেতন-ভাতা কেন সাময়িকভাবে স্থগিত করা হবে না, সে বিষয়েও লিখিত জবাব দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক (অর্থ) এবং এমপিও বাছাই ও অনুমোদন কমিটির সদস্য সচিব মোহাম্মদ শুকুর আলম মজুমদার কর্তৃক স্বাক্ষরিত এ চিঠিতে মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, গাংনীর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার এবং হাড়াভাঙ্গা ডি. এইচ. ফাজিল মাদ্রাসার সভাপতিসহ সংশ্লিষ্টদের বিষয়টি অবহিত করা হয়েছে।







